গুগলের ১০ টি জনপ্রিয় সেবা

বর্তমান বিশ্বে তথ্য প্রযুক্তি খাতে আলোড়ন সৃষ্টিকারী কোম্পানীর মধ্যে গুগলের অবস্থান সর্ব প্রথমে। বিশ্বের অন্যান্য দেশের মতো বাংলাদেশেও এর ব্যবহার কারীর সংখ্যা অনেক। গুগলের অনেকগুলো পরিসেবার মধ্যে বাংলাদেশে সবচেয়ে বেশি জনপ্রিয় সেবা গুলো নিয়ে আলোচনা করা হলো।

১. গুগল সার্চ ইঞ্জিন

কোনো তথ্য খুঁজে পেতে আমরা সব চেয়ে বেশি ব্যবহার করি গুগল সার্চ ইঞ্জিন । কেননা এটি খুব সহজেই আমাদেরকে প্রয়োজনীয় তথ্যটি খুঁজে পেতে সাহায্য করে। তাই গুগল সার্চ ইঞ্জিন খুবই জনপ্রিয় আমাদের কাছে। Google Search Engine

২. জিমেইল

ই-মেইল ব্যবহারের অন্যতম মাধ্যম হিসাবে মানুষ গুগলের পরিসেবা জিমেইল সবচেয়ে বেশি ব্যবহার করে। সব চেয়ে মজার ব্যপার হচ্ছে এই একটি জিমেইলের মাধ্যমে সহজেই অন্যান্য সেবাগুলো ব্যবহার করা যায়। Gmail

৩. ইউটিউব

প্রতিদিন নতুন নতুন ভিডিও দেখার অন্যতম মাধ্যম হিসাবে মানুষ ইউটিউব ব্যবহার করে। শুধু দেখে যে তা না মানুষ এখন ইউটিউবে চ্যানাল তৈরি করে সেখানে ভিডিও আপলোড করে থাকে। এছাড়াও ইউটিউবের মাধ্যমে আয় করা যায় বলে বর্তমানে ছেলে মেয়েরা নিজেদের ইউটিউবার হিসাবে গড়ে তুলছে। Youtube

৪. গুগল ম্যাপ

কোন জায়গা না চিনলে আমরা প্রথমেই গুগল ম্যাপে দেখে নিই। সেখান থেকে জায়টা কত দূরে, কোন পথে কিভাবে যেতে হবে তা দেখা যায়। শুধু তাই নয় সে জায়গায় হেঁটে যেতে কত সময় লাগবে কিংবা গাড়িতে যেতে কত সময় লাগবে তাও জানা যায়। এখন আমি কোন স্থানে আছি সেটাও দেখা যায়। এসব সুবিধার জন্য আমাদের দেশে গুগল ম্যাপ খুবই জনপ্রিয়। Google map

৫. গুগল ট্রান্সলেট

একেক দেশে একেক রকমের ভাষা। যার কারণে আমরা আমাদের মাতৃভাষা ছাড়া অন্য ভাষা বুঝি না। এই অসুবিধা দূর করতে আমরা গুগল ট্রান্সলেটের সাহায্য নিয়ে থাকি। আমরা ইংরেজি কোন শব্দের অর্থ না বুঝলে সে শব্দ সেখানে দিয়ে বাংলা সিলেক্ট করলে তার বাংলা অর্থ দেখা যায়। এছাড়া গুগল ট্রান্সলেটে অনেকগুলো ভাষা আছে যেখানে একটি থেকে অন্যটি ট্রান্সলেট করা যায়। Google Translate

৬. গুগল অ্যাডসেন্স

বর্তমানে বিজ্ঞাপন প্রদানের এবং বিজ্ঞাপন প্রকাশের অন্যতম মাধ্যম হিসাবে গুগল অ্যাডসেন্স ব্যবহৃত হয়ে আসছে। এখানে বিজ্ঞাপন প্রদান করলে তা হাজার হাজার ওয়েবসাইটের মাধ্যমে প্রকাশিত হয়। এছাড়া অ্যাডমোব এর মাধ্যমে মোবাইল অ্যাপস এ বিজ্ঞাপন দেখা যায়। আবার বর্তমানে ছেলে-মেয়েরা এর মাধ্যমে শত শত ডলার আয় করছে। নিজেদের অ্যাপস, ওয়েবসাইট এবং ইউটিউব চ্যানেল দিয়ে গুগলের বিজ্ঞাপন প্রকাশের মাধ্যমে টাকা আয় করা যায়। Google Adsense

৭. গুগল ড্রাইভ

সবচেয়ে জনপ্রিয় ক্লাউড হচ্ছে গুগল ড্রাইভ। এখানে প্রায় ১৫ জিবি ফ্রি স্পেস থাকে। যে কোন ফাইল বা ফোল্ডার এখানে রাখা যায়। এছাড়া গুগল ড্রাইভের অ্যাপস ডাউনলোড করলে কম্পিউটারের হার্ডডিস্ক কিংবা মোবাইলের মেমোরির ডাটাগুলো অটোমেটিক গুগল ড্রাইভে সিংক হতে থাকে। এতে সুবিধা হয় যদি কম্পিউটার বা মোবাইল হারিয়ে অথাবা নষ্ট হয়ে যায় গুগল ড্রাইভ থেকে সিংক হওয়া ডাটাগুলো আবার নেওয়া যায়। Google Drive

৮. গুগল ডকস

কম্পিউটারে কাজ করেন কিন্তু মাইক্রোসফট ওয়ার্ডের নাম শুনেননি এমন লোক খুব কমই পাওয়া যাবে। গুগল ডকস মাইক্রোসফট ওয়ার্ডের মতই। তবে এখানে যা লিখা হয় তা ক্লাউডে সংরক্ষিত থাকে। আপনি আপনার কোন বন্ধুকে এখানে লিখা ফাইলটি শেয়ার করতে পারবেন। এছাড়াও এখানে রয়েছে শীটস ও স্লাইড করার সুবিধা। Google Docs

৯. গুগল ক্রোম

যেকোন ডিভাইস থেকে ইন্টারনেট ব্যবহার করতে প্রয়োজন হয় একটি ব্রাউজারের। অনেকগুলো ব্রাউজারের মধ্যে গুগল ক্রোম অন্যতম। এর মাধ্যমে অনেক এক্সটেনশন সুবিধা পাওয়া যায়। বিশেষ করে যারা ডেভলাপমেন্টে কাজ করে এটি তাদের অনেক উপকারে আসে। এছাড়াও নানা রকম সুবিধা পাওয়া যায় বলে মানুষ গুগল ক্রোম অনেক বেশি ব্যবহার করে থাকে। Google Chorme

১০. প্লে স্টোর

অ্যাপস ডাউনলোড করার কথা চিন্তা করলেই মনে পড়ে প্লে স্টোর এর কথা। এখান থেকে বিভিন্ন ধরণের অ্যাপস পাওয়া যায়। কেউ নিজেদের তৈরি করা অ্যাপ এখানে আপলোড করে আবার কেউ নিজের প্রয়োজনীয় অ্যাপগুলো ডাউনলোড করে নেয়। বাচ্চাদের প্রিয় গেমসগুলোও এখানে পাওয়া যায়। Google Play Store

এছাড়াও গুগলের আরো অনেক পরিসেবা আছে যা আমাদের অনেক কাজে লাগে। মজার ব্যাপার হচ্ছে এগুলো সব ফ্রি। এতসব সুবিধার জন্য অন্যান্য প্রতিষ্ঠানের চেয়ে গুগল অনেক বেশি জনপ্রিয়।

Leave a Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *